হরিণখুরি একটি সুগন্ধী চাল যা সুন্দরবন এবং এর আশপাশের অঞ্চলে চাষ করা হয় এবং এটি লবণেও ভালো ফলন দেয়। এটি লুপ্তপ্রায় দেশি ধানের একটি প্রকার, যা তার বিশেষ স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ জন্য পরিচিত।
-
হরিণখুরি চালের বৈশিষ্ট্য:
- সুগন্ধী: হরিণখুরি চালের একটি বিশেষ সুগন্ধ আছে।
- পুষ্টিগুণ: এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর।
- লবণ সহনশীল: এটি লবণাক্ত জমিতে ভালো ফলন দেয়।
- লুপ্তপ্রায় দেশি ধান: এটি লুপ্তপ্রায় দেশি ধানের একটি প্রকার।
- চাষের স্থান: সুন্দরবন ও এর আশপাশের অঞ্চলে এর চাষ হয়।
- স্বীকৃতি: দিল্লিতে ‘প্রোটেকশন অব প্ল্যান্ট ভ্যারাইটিজ় অ্যান্ড ফার্মার্স রাইটস অথরিটি’র স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ইতিহাস: ১৮৭৬ সালে হান্টারের মেদিনীপুর, হুগলির সমীক্ষা গ্রন্থে হরিণখুরির কথা আছে।
-
চাষের সুবিধা:
- জমি শতকরা ৩০ ভাগ লবণাক্ত হলেও এই ধানের চাষে কোনও সমস্যা হয় না।
-
ব্যবহার:
- সাধারণ মানুষ বিভিন্ন পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সুগন্ধি চালের স্বাদ পেতে পারে।
এই চাল জৈব চাষের দ্বারা উৎপন্ন। উৎপাদকদের পক্ষ থেকে কোনোরকম কীটনাশক বা ক্যামিক্যাল সার এই ফসল উৎপন্ন করতে ব্যবহার করা হয়নি।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.